আমার নানাভাই আসিফ মাহমুদ জীবন গতকাল আমার নানার তেরোতম মৃত্যুবার্ষিকী ছিল। আমার নানা যখন মারা গেলেন তখন আমার বয়স সাড়ে চার ছুই ছুই। বিকেলবেলা তাকে মাইক্রোতে উঠিয়ে মিলিটারি হাসপাতালে নেয়া হলো, তিনি রাতে বাড়ি ফিরলেন লাশ হয়ে। সেই রাতে আমায় কেউ ডাকেনি, আমি নিজেই উঠেছিলাম। মধ্যরাতে চার বছর বয়সি কোনো শিশু যদি ঘুম থেকে উঠে দেখে যে বারান্দার মেঝেতে তারই সর্বক্ষণের বন্ধু নিথর হয়ে শুয়ে আছে আর তাকে ঘিরে পরিচিতরাই গগনবিদারী চীৎকার দিয়ে রাতের আকাশ বাতাস ভারি করে ফেলছে, সেটা আর যাই হোক সুখকর দৃশ্য নয়। আমি অবাক হতে পারিনি, শিশুরা সহজে অবাক হয় না। খুব চুপচাপ হয়ে আমি বারান্দায় ঠেস দিয়ে বসে নানার দিকে তাকিয়েছিলাম, নানার মুখে তখনও সেই শান্ত সৌম্য হাসি। মৃত্যুও সে হাসির সৌন্দর্য ম্লান করতে পারেনি। প্রচণ্ড বিলাপের মাঝে সেই...